Friday, August 19, 2022

একান্ত সাক্ষাৎকারে হোসেনউদ্দীন হোসেন
বর্তমানে সাহিত্য চর্চা নেই, এখন এটি অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ধরা হচ্ছে

ইলিয়াস উদ্দীন: ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার- ২০২১’ গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাহিত্যিক ও গবেষক হোসেনউদ্দীন হোসেন। তিনি যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভা কৃষ্ণনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পুরস্কার হিসেবে ৪ ভরি ওজনের গোল্ড মেডেল, ৩ লাখ টাকার চেক, সম্মাননা পদক এবং সনদপত্র পেয়েছেন।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমানে সাহিত্য চর্চা নেই, এখন এটি অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ধরা হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে তা বাজারি সাহিত্যের মধ্যে চলে গেছে। ফলে সাহিত্যে পরিমিতি বোধ উপেক্ষিত হচ্ছে।
অজপাড়াগাঁয়ে বসবাস করেও চর্চায় সাধনা থাকলে উচ্চমার্গীয় সাহিত্য রচনা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। কর্মে প্রসিদ্ধ হতে হলে কর্মসাধনার প্রয়োজন। আর তা গ্রামে থেকেও সম্ভব।

বর্তমান সাহিত্য চর্চা নিয়ে হোসেনউদ্দীন হোসেন বলেন, সাহিত্য চর্চা আগের মতো হচ্ছে না। আমাদের আশা-আকাক্সক্ষা, আমরা রাতারাতি কিছু করবো। এক বছরের মধ্যে আমরা ৪-৫ খানা বই লিখবো। এর থেকে আয় রোজগার হবে। সাধনা বলতে কোনো জিনিস নেই। কেউ কেউ সাধনা করেন। কিন্তু কিছুদিন পর তা আর থাকে না। তাড়াতাড়ি বই আকারে প্রকাশ করতে হবে। আমাকে বুঝতে হবে সেটা সাহিত্যে রূপ পেয়েছে কি- না? সাহিত্যের রূপ যদি না পায়, তাহলে টিকবে না।

তিনি বলেন, এখন যারা লিখছেন, তারা নিজের কথা বলছেন। এখনকার লেখকরা বলেন, আমার অমুক বইটা পড়েছেন? আমার এই বইটা ভালো। ভালো কি খারাপ মন্তব্য করবে কে? মন্তব্য করবে পাঠক। কিন্তু পাঠক করছেন না। যিনি লেখেন তিনি বা তার বন্ধু-বান্ধব দিয়ে প্রচার করছেন। সাহিত্য প্রপাগন্ডা না, সাহিত্য একটা শিল্প। যা করতে গেলে ব্যাপক পরিশ্রম দরকার। সাহিত্য সাধনার ব্যাপার। সাহিত্য হচ্ছে রূপ দেয়া। আমি যা ভাবছি, যে সমাজ বা জগৎ দেখছি, এই বাস্তব জগৎ বইয়ে আনতে গেলে দরকার শিল্পবোধ। সাহিত্য হচ্ছে রন্ধন বিদ্যার মতো। বিভিন্ন উপকরণ লাগে। রন্ধনে যেমন ঝাল-লবণ-হলুদ কম বেশি হলে খাওয়া যায় না, তেমন সাহিত্যেও। সাহিত্য হচ্ছে রসের সাথে যুক্ত। পরিমিতি বোধ যদি না থাকে, তাহলে গল্প-উপন্যাস হবে না। এখন যারা লেখালেখি করছেন তারা এসব উপেক্ষা করছেন।

তিনি বলেন, আবার এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিদেশি ইজম। যা আমাদের দেশের জন্যে না। তাদের বাস্তবতা নিয়ে তারা করছেন। তারা এখন বলছেন, উত্তর আধুনিকতা। উত্তরটা কী? আর আধুনিকতা কী? এসব যদি না বুঝেই আমরা লিখতে শুরু করি, তাহলে লেখা কিন্তু জমছে না। এর থেকে আমার দেশে কী হচ্ছে, কী ঘটনা ঘটছে- এটাকে যদি সঠিক রূপ দিতে পারি তাহলে সাহিত্য আসবে।

হোসেনউদ্দীন হোসেন বলেন, আমি কি করতে যাচ্ছি সেটা আগে বুঝতে হবে। আমার এটা সাধনা, না অর্থ উপার্জন। সাহিত্য আমাদের কাছে এখন অর্থ উপার্জনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্রমান্বয়ে তা বাজারি সাহিত্যের মধ্যে চলে গেছে। বাজারজাত করার জন্যে ভালো, যৌনতা, নারীর দেহ যা প্রয়োজন না, তা দিয়ে থাকি। এসব করতে গিয়ে সাহিত্যের মূল জিনিস থাকেনা। সাহিত্য যখন সরে যাবে, তখন তা টিকবে না।

নগর কেন্দ্রিক সাহিত্য চর্চা নিয়ে হোসেনউদ্দীন হোসেন বলেন, আমাদের দেশে প্রবণতা হয়ে দাঁড়িছে- শুধু সাহিত্য না, বড় কাজ করতে হলে নগর কে›ীদ্রক হতে হবে। বিশেষ করে রাজধানী কেন্দ্রিক। কিন্তু লেখা কোনো সমবায়ী না। রাজধানীতে গেলেই যে সাহিত্য করা যাবে তা নয়। বরং অসুবিধা আছে, থাকা-খাওয়ার সমস্যা, চাকরিতে সময়মত যাওয়া। এর থেকে গ্রামে থেকে গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, উপন্যাস আরও ভালোভাবে লেখা যায়। রাজধানীতে কর্মসাধনার আরও ব্যাঘাত ঘটে। শিল্পকর্ম হচ্ছে রূপ সৃষ্টি করা। এরজন্যে বড় শহর বা রাজধানীমুখী হতে হবে, তা আমি বিশ্বাস করিনে । অনেকে নিজেকে জাহির করার জন্যে শহরে থাকেন।

হোসেনউদ্দীন হোসেন বলেন, আমারও ধারণা ছিল ঢাকা শহরে গেলে লেখালেখির একটা জায়গায় পৌঁছাবো। এ উদ্দেশ্যে ৬০-৬১ সালে ঢাকায় যাই। তখন কিছু কিছু কবিতা লিখতাম। সংবাদে (দৈনিক সংবাদ) তা ছাপতো। ঢাকায় গিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করি। সংবাদে তিনজন সহকারী সম্পাদক নেবেন। সাক্ষাতকারের দিন, আমি অফিসে যাই। আমাকে সহকারী সম্পাদক পদে চাকরি দেয়া হয়। এক বছর চাকরি করার পর বুঝলাম, সাংবাদিকতা আর সাহিত্য করা এক না। সাংবাদিকতা করলে আমার গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ হবে না। গল্প হচ্ছে কল্পনার ব্যাপার। এখানে তা হবে না। তাই চাকরি ছেড়ে গ্রামে উঠলাম। আর মনস্থির করলাম আর কোথাও না, নিজে নিজেই গল্প তৈরি করতে হবে। ওই সময় ‘বনভূমি’ ও অন্যান্য গল্প লিখি। বনভূমি গল্পটি সংবাদে দুই কিস্তিতে ছাপা হয়।

তিনি বলেন, বিভিন্ন লেখালেখি পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়। ছাপা হওয়ায়, গ্রামে থেকেও যে সাহিত্য চর্চা করা যায়, এই চিন্তা আরও শক্তিশালী হয়।

জীবনবৃত্তান্ত : ইতিহাসবিদ, উপন্যাসিক, কবি ও সাংবাদিক হোসেনউদ্দিন হোসেন ১৯৪১ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার কৃষ্ণনগর গ্রামে এক বনেদী কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দুই ছেলে এবং এক মেয়ে সন্তানের জনক। ৮১ বছরের এ প্রবীণ বর্তমানে তার নিজ গ্রাম কৃষ্ণনগরে থাকেন এবং কৃষিকাজ দেখাশোনা করা ছাড়াও লেখালেখিতে সময় পার করছেন।

হোসেনউদ্দিন হোসেনের প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় কৃষ্ণনগর গ্রামে পল্লীমঙ্গল সমিতির প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন ঝিকরগাছা উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে। দশম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৫৭ সালে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে তিনি প্রাইভেট পরীক্ষা দিয়ে ম্যাট্রিক পাশ করেন। ১৯৫৯ সালে একই বোর্ড থেকে প্রাইভেট পরীক্ষা দিয়ে আইএ পাশ করেন। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি তার কোন আস্থা না থাকায় একাডেমিক শিক্ষা তিনি এখানেই শেষ করেন।

শৈশবকাল থেকে হোসেনউদ্দীন হোসেন কবিতা লিখতে শুরু করেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি একটি হাতে লেখা পত্রিকা প্রকাশ করেন। তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে কোলকাতার দৈনিক লোকসেবক পত্রিকায় ছোটদের বিভাগে। এরপর পর্যায়ক্রমে কোলকাতা ও ঢাকার বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত তার গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।

২০০৬ সালে হোসেনউদ্দীন হোসেনকে ক্যামব্রিজ, ইংল্যান্ড থেকে ‘প্লাবন এবং একজন’ এর ইংরেজি অনুবাদ ঋষড়ড়ফ অহফ ঘড়ড়য প্রকাশ করে গরহধৎাধ চঁনষরপধঃরড়হ (২০০৫)। এরপর ক্যামব্রীজ ইউনিভার্সিটি ঞড়ঢ় ১০০ ডৎরঃবৎং ২০০৫ হিসেবে হোসেন উদ্দীন হোসেনের নাম ঘোষণা করে। ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রণে সস্ত্রীক সেখানে গিয়ে ৪ ভরি ওজনের গোল্ড মেডেল, নগদ আড়াই হাজার পাউন্ড এবং সনদ প্রাপ্ত হন। এছাড়াও কোলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১০ সালে বাংলা বিভাগে হোসেনউদ্দীন হোসেনের লেখা ‘ইঁদুর ও মানুষেরা’ উপন্যাসটি এমএ ক্লাসে পাঠ্যসূচি করা হয়।

১৯৭৪ সালে তার প্রথম বই ‘যশোরাদ্যদেশ’ প্রকাশিত হয়। ¯্রােতের ধারা শুরু হয়, একে একে বের হয়-‘যশোর জেলার কিংবদন্তী’ (দুই খন্ড), ‘অমৃত বৈদেশিক’, ‘ভলতেয়ার ফ্লোবেয়ার তলস্তয় ত্রয়ী উপন্যাস ও যুগমানুষ’, ‘ঐতিহ্য আধুনিকতা আহসান হাবীব’, ‘বাংলার বিদ্রোহ’ (দুই খন্ড), ‘নষ্ট মানুষ’, ‘প্লাবন ও একজন’, ‘সাধুহাটির লোকজন’, ‘ইঁদুর ও মানুষেরা’, ‘মাইস এন্ড মেন’ (ইঁদুর ও মানুষেরা’র ইংরেজি অনুবাদ), ‘সোনালী জলের কাঁকড়া’, ‘ফ্লাড এ- এ নুহ’ (‘প্লাবন ও একজন’এর ইংরেজি অনুবাদ), ‘সমাজ সাহিত্য দর্শন’, ‘রণক্ষেত্রে সারাবেলা’ (মুক্তিযুদ্ধেও স্মৃতিচারণ), ‘লোকলোকোত্তর গাঁথা কিংবদন্তী’, ‘বিশ্ব মানব ভলতেয়ার’, ‘উত্তর পুরুষ’, ‘বনভূমি ও অন্যান্য গল্প’, ‘শেষ বিদায়ের আগে’, ‘হে আদি, হে বৃক্ষ’, ‘সাহিত্যের চিত্র বিচিত্র’, ‘মন মানুষের চালচিত্র’,‘কালান্তরের রুপকথা’ ‘১উনাশির শ্রেষ্ঠগল্প’ (সম্পাদনা), মরাল সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক।
দৈনিক বাংলা, সমকাল, ইত্তেফাক, জনকণ্ঠ, ভোরের কাগজ, যুগান্তর, আজকের কাগজ, নয়াদিগন্ত, সাপ্তাহিক বিচিত্রা, ভারত বিচিত্রা, শৈলি, নন্দন, ক্রান্তি, কোরক, চিহ্ন, উত্তরাধিকার পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। এছাড়াও তিনি দুই বাংলার বহু পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করে চলেছেন।

লেখালেখির প্রাপ্তিও কম না। চাঁদেরহাট পদক, ড.মুহম্মদ শহিদুল্লাহ পদক, বিজয় দিবস পদক, মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পদক, কোলকাতা বিধান নগর মেলা (সল্টলেক, কোলকাতা) পদক, কণ্ঠশীলন পদক, গুণীজন সম্মাননা পদক, এম এল হাই স্কুল সম্মাননা পদক, ক্যাম্ব্রিজ (ইংল্যান্ড) স্বর্ণপদক, কপোতাক্ষ সাহিত্য পরিষদ পদক, আয়েশা-জব্বার সম্মাননা পদক, বিবর্তন আজীবন সম্মাননা পদক, বইমেলা (যশোর ইনস্টিটিউট) সম্মাননা পদক, মণিরামপুর বইমেলা সম্মাননা পদক, শিমুল পলাশ (ভারত) সম্মাননা পদক, লিটল ম্যাগাজিন সম্মাননা পদক (কোলকাতা), বগুড়া সাহিত্যচক্র পদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগ আয়োজিত আন্তর্জাতিক লোক সম্মেলন (ঝিনাইদহ) পদক, বাংলা একাডেমি নিয়ন্ত্রিত সাহাদত আলী আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার, চিহ্নমেলা (রাজশাহী) সাহিত্য পদক, উমেশচন্দ্র পাঠাগার (খুলনা) পদক, বেনাপোল পৌরসভা সাহিত্য পদক, বিকল্প নির্মান সাহিত্য পদক, পূর্ব-পশ্চিম সাহিত্য সম্মাননা পদক ইত্যাদি। দুই বাংলা মিলে প্রায় অর্ধ শত সাহিত্য সংগঠন সাহিত্যে অবদানের জন্যে পুরষ্কার ও সম্মননা প্রদান করেছেন। ২০০৬ সালে হোসেনউদ্দীন হোসেনকে ক্যাম্ব্রিজ (ইংল্যান্ড) থেকে টপ-হানড্রেট রাইটার্স হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সে দেশে সস্ত্রীক গিয়ে পুরষ্কার নিয়ে আসেন। কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ^বিদ্যালয়ে ২০১০ সালে বাংলা বিভাগে হোসেনউদ্দীন হোসেনের ইঁদুর ও মানুষেরা উপন্যাসটি এম এ ক্লাসে পাঠ্যসূচি করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

আজ যশোরের বিশিষ্ট রাজনীতিক এম রওশন আলীর মৃত্যুবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের কৃতি সন্তান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সহচর, সংবিধানের...

টিউমার অপরেশনের পর নাজমা এখন প্রতিবন্ধী

জিএম আল ফারুক, আশাশুনি : সাতক্ষীরার আশাশুনির সদর ইউনিয়নের শ্রীকলস গ্রামের ভ্যান ও সাইকেলের মিস্ত্রী...

তালায় এমপি রবির সাথে মতবিনিময় শিক্ষক নেতৃবৃন্দের

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য নৌ-কমান্ডো ০০০১ বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির...

ঝিকরগাছায় ডাকাতিকালে নৈশ প্রহরী খুনে আটক নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের ঝিকরগাছায় ডাকাতিকালে নৈশপ্রহরী আব্দুস সামাদ হত্যার ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করতে...

এদেশে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে জিয়াউর রহমান : শাহীন চাকলাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি বলেছেন, সরকার ভিন্ন...

যশোরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় শাহ আলম (৬০) নামে এক...