রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

ক্ষেতে পানি না থকলেও যশোর শহরে বন্যাভাব

বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু কৃষকের আশা পূরণ হচ্ছে না। কারণ বর্তমান সময়ে আমন ফসলের জন্য যে পরিমাণ বৃষ্টির প্রয়োজন তা হচ্ছে না। অপরপক্ষে যশোর শহরের বাসিন্দারা বৃষ্টির জন্য দিশেহারা। তারা জলাবদ্ধতার শিকার। ময়লা দুর্গন্ধ দূষিত পানিতে সয়লাব। বসত ঘরে সে পানি উঠে স্বাস্থ্যহানির কারণ সৃষ্টি করছে। দৈনিক কল্যাণ ১৫ সেপ্টেম্বর সংখ্যায় এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায়। উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন নাগরিকরা। এতে তাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। যদিও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অল্প সময়ের মধ্যে কেটে যাবে এ সমস্যা।

কথা সর্বস্ব পৌর প্রশাসন। গলাবাজি ছাড়া এই শহরবাসী কিছুই দেখছেন না। নাগারিক সুবিধার কিছুই নেই এখানে। যা ছিল তাও কর্তৃপক্ষের উদাসিনতায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। যশোর পৌরসভার শাহ্ আব্দুল করিম সড়কে একটু বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় প্রায় অর্ধ কিলোমিটার রাস্তা। বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষসহ। একই অবস্থা জেবিন মোড়, খড়কি হাজাম পাড়া, একরামুল হক সড়ক, চোরমারা দিঘীরপাড়, ষষ্ঠীতলা, টিবি ক্লিনিকসহ অধিকাংশ এলাকার। মাত্র এক ঘণ্টা বৃষ্টি হলে পানি নামতেই সময় লাগছে সাত দিনের বেশি। কয়েক বছর ধরে এই অবস্থা চললেও উদাসীন কর্তৃপক্ষ। ফলে সমস্যা নিয়েই বসবাস করছেন এ এলাকার মানুষ। এছাড়া দুর্ভোগের শেষ নেই শিক্ষার্থী ও অন্যান্য পথচারীদের।

পৌর কর আদায়ে কর্তপক্ষ যত তৎপর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণে যদি তার ছিটেফোঁটাও করতো তাহলে এ অবস্থার সৃষ্টি হতো না বলে মনে হয়। যশোর শহরের অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গ্রামের অবস্থা এর চেয়ে অনেক ভালো।

যশোরবাসী কিন্তু ভোলেনি, ‘আমাকে নির্বাচিত করে জনগণের খেদমত করার নুযোগ দিন’ সেই প্রতিশ্রুতির কথা। আসলে যারা ক্ষমতাকে মুখ্য করে দেখে তাদেও কাছে জনগণের স্বার্থেও বিষয়টি তুচ্ছ। তারা ক্ষমতাকে আখের গোছানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। যশোর পৌর কর্তপক্ষের বিরুদ্ধে যদি পৌরবাসী এমন অভিযোগ করেন তাহলে মনে হয় কম করেই বলা হবে।

ফসলের ক্ষেতে পানি নেই অথচ পৌর শহরে বন্যা অবস্থা, ফুটপাথে চলা যায় না, কারন সে পথ দখলদাররা ভাড়া খাটিয়ে টাকা আয় করছে। ডাস্টবিন নেই, যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলায় ডেঙ্গুর প্রসারে সহায়তা করা হচ্ছে। হায়রে পৌরসভা!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

editorial

যানজটের শহর যশোর

আ.লীগ কখনো কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতয় আসেনি : প্রধানমন্ত্রী

কল‌্যাণ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হওয়ার কথা...

কোটচাঁদপুরে সক্রিয় অপরাধী ও প্রতারক চক্র

কামাল হাওলাদার, কোটচাঁদপুর : ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে দিনে দুপুরে চুরি ছিনতাইসহ প্রতারক চক্রের প্রতারণার মাত্রা বেড়ে...

যানজটের শহর যশোর

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘেঁষে ১৬টি বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের নেই পার্কিং ব্যবস্থা। হাসপাতালের...

রাজপথে আছি, রাজপথেই থাকবো : নার্গিস বেগম (ভিডিওসহ)

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেছেন, সরকার তার মসনদ টিকিয়ে...

বাঁকড়ায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় সরকারি খাস জমি থেকে কয়েক লক্ষাধিক টাকার রেইনট্রি গাছ কাটার...

পহেলা অক্টোবর থেকে যশোরে পরিবহন চলাচল বন্ধ !

শনিবার যশোর জেলা পরিবহন সংস্থা শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি আজিজুল আলম মিন্টুর...