জমিসহ ঘর পাচ্ছেন আরো একলাখ মানুষ

জমিসহ ঘর পাচ্ছেন আরো একলাখ মানুষ
যশোরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জেল হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় গৃহনির্মাণ কার্যক্রমের উপর যশোরে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার যশোর পিটিআই মিলানায়তনে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে যশোর সদরের দুটি আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। আয়োজক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তৃতীয় পর্যায়ের গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মোহসিন ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস। সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন।
এছাড়া খুলনা বিভাগের সকল জেলার প্রশাসক, ইউএনও ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে কোন জেলা কতটুকু সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি এখনো যারা ভূমিহীন আছেন তাদের দ্রুত আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওয়তায় আনার ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। যেসব জেলা ও উপজেলায় জমি সংক্রান্ত সমস্যার জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বিত সেগুলো দ্রুত সমাধানে তাগিদ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া যশোর সদরের চাঁচড়া হঠাৎ পাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প ও রামনগর শাহাপাটি গোপালপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শণের সময়ে তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে ভূমিহীন মানুষকে ঘর দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছর একলক্ষ আঠারো হাজার ঘর প্রায় সাতলাখ মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে যারা রাস্তায় ও রেলস্টেশনে থাকতেন তারা মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন। এ বছর আরও একলাখ মানুষকে জমিসহ ঘর দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইতিমশ্যে যারা ঘর পেয়েছে তাদের সাথে আমরা কথা বলছি। কোন সমস্যা হলে সমাধানও করছি।
প্রকল্প পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনিম লিংকন প্রমুখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে