Friday, August 12, 2022

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের খিড়কি দুয়ার

গৌরাঙ্গ নন্দী: একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। খুলনায় জন্ম¥, বেড়ে ওঠা ও কাজ করার সুবাদে নানা কারণেই রাজধানী ঢাকায় যওয়ার প্রয়োজন হয়। ১৯৯৮ সাল হতে যখন ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিকে কাজ করতে শুরু করি, তখনতো একটি দাপ্তরিক প্রয়োজন দেখা দেয়। তবে এই ঘটনাটি নিজ দাপ্তরিক নয়, অন্য একটি বিষয়ে। কয়েকজন উদ্যমী মানুষ একটি প্রচারণা সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময় সভা করবে, তাতে খুলনা অঞ্চলের মানুষ হিসেবে আমাকে আমন্ত্রণ জানায়। আমি তাতে যোগ দিতে রাজি হই।

কিন্তু প্রশ্ন ও দ্বিধা তৈরি হয়, কিভাবে অর্থাৎ কোন বাহনে গিয়ে যথাসময়ে সভাস্থলে পৌঁছাতে পারবো। যদি রাতে বাসে যাই, তাহলে ফেরিঘাটের জটে পড়ে যদি সকাল ৯টায় না পৌঁছাতে পারি। এক বন্ধুর পরামর্শে ট্রেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। রাত আটটায় ট্রেন, সকাল ছটায় পৌঁছে যাবে; তারপর ধীরে-সুস্থে সভায় যোগ দেয়া যাবে। কিন্তু ওই যে বলে না, অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়! আমিও পড়ি সেই দশায়। যথাসময়ে স্টেশনে গিয়ে জানতে পারি ট্রেন লেট। কখন ছাড়তে পারে, এগারোটার দিকে। ট্রেনে যাওয়ার কারণে আমার সাথে পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য যোগ দিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে রাতের কোন বাস খোঁজারও সুযোগ নেই। অগত্যা অপেক্ষা করা। কিন্তু এগারোটা যে পার হয়ে যায়। পরিবর্তিত সময় জানা গেলো, রাত একটা নাগাদ ট্রেন যেতে পারে। প্রকৃতপক্ষে যে ট্রেনটির যাওয়ার কথা ছিল, সেই ট্রেনটি খুলনা স্টেশনে আসেনি, এলো রাত একটার পর। সেটাই আবার পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে রওনা দিলো ভোর তিনটার দিকে। ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে সেই ট্রেন পৌঁছায় দুপুর দুটোর দিকে। আমি সেই সভাস্থলে যাই বিকেল তিনটারও পরে!

এই যে নিদারুণ অভিজ্ঞতা,খুলনা অঞ্চলের মানুষের কম-বেশী আছে; কারও তিক্ততা বেশী, কারও তিক্ততা হয়তো একটু কম, তবে আছে। অবশ্য, সামর্থবানদের কথা আলাদা, যাঁরা বিমানে চলাচল করেন, তাঁদের হয়তো এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়নি। তবে আম-জনতা যাতায়াতের দুর্ভোগ মোকাবেলা করেছে। হ্যাঁ, যতোদূর মনে আছে, আমি যখন প্রথমবার ঢাকায় যাই সেই ১৯৭৯ সালে, তখন তিনটি নদী ফেরিতে পার হতে হয়েছিল। এখন খুলনাসহ পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সেই ভোগান্তির অবসান ঘটবে। কারণ, বিপুলা পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মিত হয়েছে; ২৫ জুন এর উদ্বোধন হবে, পরদিন ২৬ জুন হতে সাধারণ যানবাহন চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত হবে। এখন একেবারে সরাসরি বাসে যাওয়া যাবে রাজধানী ঢাকা শহরে। ওই শহরে গিয়ে যানজটের কবলে পড়তে হতে পারে, তবে রাস্তার বিড়ম্বনা আর থাকছে না।

পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণ নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি। শুরুতে, এই প্রকল্পে অর্থ ছাড়ের আগেই প্রধান দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক কর্তৃক দুর্নীতির অভিযোগ, তার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত দল গঠন, দুর্নীতির অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, তখনকার একজন মন্ত্রীর অপসারণ বা পদত্যাগ, গ্রেফতার, কানাডার আদালতে মামলা প্রভৃতি। এতো কিছুর মাঝেই প্রধানমন্ত্রী সাহসী ঘোষণা দেন যে, নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মিত হবে। অনেক টাকা দরকার; বিদেশী মূদ্রাও প্রচুর প্রয়োজন। স্বাভাবিকভাবে অর্থনীতিবিদদের অনেকেই সাহসী হতে পারেননি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অবিচল, লক্ষ্যে সুস্থির।

পদ্মাসেতু প্রকল্প ছিল ২৯১ কোটি ডলারের। এতে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক স্বল্প সুদ এবং গ্রেস পিরিয়ডযুক্ত ১২০ কোটি ডলার ঋণ এবং সেই সাথে বাদ বাকি অর্থ এডিবি, জাইকা ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের কাছে প্রাপ্তি ছিল একটি সহজ ও মসৃণ পথ। কিন্তু সেতু নির্মাণে দরপত্র আহ্বানের সময় বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বাতিল করে। ঠিক ওই সময়েই প্রধানমন্ত্রী ’নিজেরাই পারব’ বলে ঘোষণা দেন। যদিও বিশ্বব্যাংককে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা ছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের টানাপোড়নের এক পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকার অর্থ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বিশ্বব্যাংকের সাথে অন্য দাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকেও ঋণ প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তারপরও প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণীয় দৃঢ়তায় প্রকল্প গ্রহণ, অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন চলে। বাস্তবায়ন পর্বে দেখা দেয় প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ। পদ্মা নদীর বিশেষ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, এর শ্রোতধারা, মাটির প্রকৃতি ও গুণাগুণ একেক জায়গায় একেক রকম। যে কারণে পাইলিং-এর নকশায় পরিবর্তন আনতে হয়। আবার দুই বছর করোনার কারণে প্রায় সবকিছু অচল থাকলেও তার মধ্যে এই কাজ এগিয়ে নেওয়া। এতে দফায় দফায় সময় বেড়ে, প্রকল্প ব্যয়ও বেড়েছে। সবকিছুর পরে আজ চরম সত্যি, পদ্মা সেতু হয়েছে; যা যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত হচ্ছে।
কেন পদ্মা সেতু এতো প্রয়োজনীয়? শুরুতেই যাতায়াতের বিড়ম্বনার কথা বলেছি। আরও একটি নির্মম সত্যি হচ্ছে, শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় পদ্মার দক্ষিণে ২১ জেলায় বিনিয়োগ পিছিয়ে ছিল। এই ২১ জেলায় সস্তায় জ¦ালানীর সুযোগ ছিল না; নতুন শিল্প-কলকারখানা গড়ে ওঠেনি; বরং যেসব শিল্প-কল-কারখানা ছিল, তা একে একে বন্ধ হয়ে কাজের সুযোগ কমে আসছিল। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে কর্মসংস্থানমুখী কোন বিনিয়োগ হচ্ছিল না। অবশ্য, রাজধানী ঢাকায় যে শিল্পে বিনিয়োগ বেশী, তা গার্মেন্টস। এই খাতে এই অঞ্চলে বিনিয়োগের কোন পরিবেশই গড়ে ওঠেনি। দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য (মাছ,চিংড়ি, কাকঁড়া, কুঁচে প্রভৃতি) শিল্পেও বিনিয়োগ ছিল স্থবির। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক সরকারি কিছু বিনিয়োগ ছিল; আর ছিল ব্যক্তি উদ্যোগে সেবামূলক খাতে বিনিয়োগ। প্রকৃতপক্ষে, ব্যাপক মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য এই বিনিয়োগ একেবারেই যথেষ্ট ছিল না। একারণেই প্রবল পদ্মাকে বাগে এনে তার উপরে সেতু নির্মাণ করাটা ছিল জরুরী। ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতুর সাথে দুই প্রান্তের উড়াল পথ তিন দশমিক ৬৮ কিলোমিটার, সবমিলিয়ে ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু এমনিতেই নিজেই একটি অপূর্ব নান্দনিক স্থাপনা।

আশা করা হচ্ছে, এই সেতু এখন দেশের মূলত : ২১ জেলার (খুলনা বিভাগের দশ, বরিশাল বিভাগের ছয় এবং ফরিদপুরের পাঁচ জেলা) চেহারা পাল্টে দেবে। অর্থনীতিতে গতিশীলতা সৃষ্টি হবে। পণ্য আনা-নেয়ায় গতি পাবে। শিল্পে বিনিয়োগ হবে। সার্বিক অর্থে, অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হবে। বলা হচ্ছে, জিডিপিতে এই সেতু এক দশমিক পাঁচ শতাংশ হতে দুই শতাংশ পর্যন্ত অবদান রাখতে সামর্থ্য হবে। বলাইবাহুল্য, পদ্মা নদীর মাওয়া হতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সড়ক ও রেল যোগাযোগের ফলে এ অঞ্চলের উৎপাদিত কাঁচামাল দ্রুততার সঙ্গে সরবরাহের সুযোগ তৈরি ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। সেতুটির কারণে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলার গুরুত্ব ও ব্যবহার বাড়বে। শুধুমাত্র তাই নয়, পদ্মা সেতু ও সংযোগ সড়ক এশিয়ান হাইওয়ে রুট এএইচ-১-এর অংশ হওয়ায় তা যথাযথ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল ট্রান্স-এশিয়ান হাইওয়ে এবং ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে। ভারত, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহণে সুবিধা হবে। ঢাকা থেকে খুলনা, মোংলা, বরিশাল, কুয়াকাটা অর্থনৈতিক করিডর খুলে যাবে। আশা করা যায়, এ সেতুকে ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্ক। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দেশের শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে।

খুলনা জেলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের নতুন কৃষিপণ্য তরমুজ। শুধুমাত্র পরিবহন দুর্বলতার কারণে এবারে এই ফসলটির যথাযথ মূল্য, কোন কোন ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচও তুলতে ব্যর্থ হয়েছে উৎপাদনকারীরা। ঠিক এমন সংকটে ছিল উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা। ওই অঞ্চলের কৃষিপণ্য শুধুমাত্র পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। যমুনা নদীর উপর নির্মিতবঙ্গবন্ধু সেতু উত্তরাঞ্চলের কৃষিতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনেছে। ঠিক পদ্মা সেতুও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে বলে সকলেই আশাবাদী হয়ে উঠেছে।

তবে একটি কথা ঠিক যে, অর্থনীতির সাধারণ নিয়মে বেসরকারি উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারীরা যে পণ্যে নিশ্চিত মুনাফা আছে, সেখানেই বিনিয়োগ করে থাকে। আর উদ্যোক্তারা সরকারের কাছে ক্রমাগত সুবিধা পেতে চায়। একারণে আমাদের দেশে গার্মেন্টস সেক্টরের যতোটা প্রসার ঘটেছে, অন্য শিল্পে বিশেষত: ভারী শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান দুটোই খুব একটা বাড়েনি। আবার গার্মেন্টস বা অন্যান্য শিল্পের বিকাশ যতোটা হয়েছে, তা পরিচালন ব্যবস্থাপনার জন্যে আমরা দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারিনি। পরিচালন ও ব্যবস্থাপনার জন্যে বিদেশী দক্ষ শ্রম ব্যবহার করতে গিয়ে আমাদের মূল্যবান বৈদেশিক মূদ্রা হারাতে হচ্ছে। আবার বিনিয়োগ হচ্ছে দেদার আবাসন খাতে। পদ্মা সেতুর এপাড়ে অর্থাৎ ভাঙ্গা হতে সেতু অবধি সড়কের দুই পাশের জায়গা এবং মাওয়া হতে ঢাকামুখো সড়কের দুই প্রান্তে অসংখ্য আবাসন কোম্পানির সাইনবোর্ডে ছেয়ে গিয়েছে। আবাসনতো জরুরী, কিন্তু একটি পর্যায়ে এটি মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য। এই বিষয়টি আমাদের বিবেচনায় রাখা জরুরী।

পদ্মা সেতুর ইতিবাচক আরও একটি গতিমুখ আমাদের পর্যটন খাতে পড়বে বলে অনেকে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। বিশেষত: সুন্দরবন, কুয়াকাটাকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প। এই খাতটি বিকাশেরও একটি অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে পর্যটনের একটি সুষম অবকাঠামো গড়ে তোলা। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সত্যিকার অর্থে আমরা এখনও পর্যন্ত পর্যটন বান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি।

আর একটি কথা, আমাদের একটি ভোগী মধ্যবিত্ত গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। গাড়ী এই গোষ্ঠীর কাছে একটি আকর্ষণীয় পণ্য, অনেক ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস সিম্বলও। পদ্মা সেতুর কল্যাণে অনেকেই যাদের সুযোগ আছে, তারা রাজধানী ছেড়ে আসবেন বলে ধারণা করা যায়; আর তাদের নিত্য চলাচলের সুবিধার্থে গাড়ী হবে অনুসঙ্গ। ফলে গাড়ীর ব্যবহার বাড়বে। রাজধানীতেও গাড়ীর সংখ্যা বাড়বে। নতুন করে সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন সাজাতে হবে, তেমনি ভাঙ্গা হতে গোপালগঞ্জ-খুলনা বা মংলা পর্যন্ত সড়কেরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

আশা করা যায়, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে – পদ্মা নদীর উপর সেতু তৈরিতে আমরা যেমন বিজয়ী হয়েছি; আনুসাঙ্গিক ছোট-খাট সমস্যা উতরাতেও আমরা সমর্থ্য হবো। আমরা গড়ে তুলতে পারবো আমাদের কাক্সিক্ষত সোনার বাংলা।

লেখক : বিশিষ্ট সাংবাদিক

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

রোহিঙ্গা ক্যাম্প যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্য

১০ আগস্ট উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই রোহিঙ্গা মাঝি নিহত হয়েছেন। ১২টার দিকে...

নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

কল্যাণ ডেস্ক : দলের নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর...

তালেবানের শীর্ষ নেতা রহিমুল্লাহ হাক্কানি নিহত

কল্যাণ ডেস্ক : বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন আফগানিস্তানে তালেবানের শীর্ষ নেতা রহিমুল্লাহ হাক্কানি। তালেবান প্রশাসনের...

শোক দিবসে যশোর পৌর আ’লীগের বৃক্ষরোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক...

জ্বালানি তেলসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে যশোরে এনডিএফ’র বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর শহরের মাইকপট্টি থেকে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) জেলা কমিটির...

ন.পাড়া নৌবন্দরে আরও ২৩ অবৈধ ঘাট উচ্ছেদ

কামরুল ইসলাম, অভয়নগর : নওয়াপাড়া নৌবন্দরে আরও ২৩টি অবৈধ ঘাটের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার...