বাংলাদেশের পুরনো ‘রোগ’ সারবে কবে?

বাংলাদেশের পুরনো ‘রোগ’ সারবে কবে?

ক্রীড়া ডেস্ক : বাংলাদেশ-পাকিস্তান চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনের ঘটনা। বিনা উইকেটে ১৪৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তান তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে হঠাৎ-ই হয়ে পড়ল ২১৭/৬। তারপর পাকিস্তানের বলার মতো ব্যাটার বলতে অপরাজিত ছিলেন কেবল ফাহিম আশরাফ। ফাহিম মূলত পেস বোলিং অলরাউন্ডার হলেও ব্যাটিংয়ের চেয়ে তার বোলিং স্বত্ত্বাটাই বড়। সব মিলিয়ে মনে করা হচ্ছিল, আড়াইশর আগেই হয়তো গুটিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তানের ইনিংস গিয়ে শেষ পর্যন্ত থামল ২৮৬ রানে। টেল অ্যান্ডারের ব্যাটারদের দ্রুত ফেরাতে পারেনি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ।

এই দুর্বলতা অবশ্য আজকের নয়। প্রতিপক্ষের টেল অ্যান্ডারের বিপক্ষে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের ভোগার ইতিহাস অনেক পূরনো। আজ দিনের খেলা শেষে তাইজুল ইসলাম সেটা স্বীকার করতে দ্বিধা করলেন না।

রোবাবর (২৮ নভেম্বর) টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ভার্চ্যুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে এসে তাইজুল বলেন, ‘আামাদের অনেক ম্যাচেই আসলে এমনটা হয়েছে। অনেক ম্যাচেই দেখা যায় আমরা শেষের দিকে হয়তো রান বেশি খরচ করে ফেলি। প্রতিপক্ষ যারা থাকে তারা শেষের জুটিগুলোতে বেশি রান করে ফেলে।’
রোববার পাকিস্তানের দলীয় ২১৭ রানের মাথায় ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলী আউট হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ যেভাবে খেলেছে তাতে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। হাসান আলী, সাজিদ খান, নুমার আলীদের মতো কার্যত বোলারদের বিপক্ষে আরও আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং সেট করা যেতো বলছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে আউটের সুযোগ আগেও আসতে পারত।

তাইজুল ইসলাম বলছেন, ‘দেখেন এটা হতে পারে, অনেক সময় এমন হয়। ওই সময়ে আসলে খেলাটা পরিবর্তন হয়ে যায়। কারণ স্বীকৃত ব্যাটারদের মতো করে নিচের দিকের ব্যাটাররা কিন্তু খেলে না। আবার টেস্ট ক্রিকেটের ফিল্ডিং সেটাটও অন্য রকম থাকে। এসব কারণেও হয়। দেখবেন অনেক বড় বড় টিমের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়।’

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। পরে পাকিস্তান ২৮৬ রানে গুটিয়ে গেলে ৪৪ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে আজ চার উইকেটে ৩৯ রান তুলে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ৮৩ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ, হাতে ছয় উইকেট।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে