Wednesday, July 6, 2022

বেঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা ক্লিনিকের দিকে নজর দিন

যশোর শহরের পিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মুত্যু হয়েছে। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে, গত শুক্রবার সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের আল আেিমনের স্ত্রী মুন্নি খাতুন (২৪) মারা যান। এর আগে যশোর শহরের বারান্দিপাড়ার অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবদুল মুরাদ ভুল চিকিৎসার শিকার হন। সে সময় হাসপাতালটির নাম ছিল ল্যাবএইড হাসপাতাল। ২০২০ সালে এই হাসপাতালটি পরিদর্শন করে কোন অনুমোদন না থাকাস্বাস্থ্য বিভাগ সিলগালা করে। ওই সময় নাম পাল্টে করা হয় পিস হাসপাতাল। নড়াইলের বড়দিয়ার হাজী খান রওশন আলী হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজার করারা সময় এক প্রসূতি ও তার গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হয়েছ্।ে বিষয়টি তদন্তে দেখা যায় ওই হাসপাতালের অনুমোদন নেই এবং সেখানে নানা অপচিকিৎসা হয়। এ কারণে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে বড় ফটকা ব্যবসা হচ্ছে ক্লিনিক ব্যবসা। এ ব্যবসায় বিভিন্ন স্থানে যা চলছে তা কোনো সভ্য সমাজে চলতে পারে না। আমরা আগেও বেআইনীভাবে এ ব্যবসা যে চলছে সে চিত্র তুলে ধরেছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নট নড়নচড়ন। প্রশ্ন জাগে কেন এ সব অনিয়ম ও আইন বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় হয় না? কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততার ফলে অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ পায় এবং তারা অপরাধে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে। দেখা গেছে সরকারি হাসপাতাল চত্বরে এক শ্রেণির দালাল ঘুর ঘুর করে। তারা যদি বুঝতে পারে হাসপাতাপলে প্রসূতি এসেছে তাহলে তার অভিভাবকদের নানাভাবে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যায় বেসরকারি হাসপাতাল নামের কসাইখানায়। সেখানে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা করতে দিয়ে রোগী মারা যায়।

আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাবো শুধু বড়দিয়ায় একটি ক্লিনিক বন্ধ করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। আনাচে কানাচে বেঙের ছাতার মতো ক্লিনিক নামের যে ফটকাবাজি প্রতিষ্ঠান গজিয়ে উঠেছে তার সবগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। এসব ক্লিনিকে নার্স তো নেই, ডাক্তারও থাকে না। এ সব ক্লিনিকে দেখা যায় সেখানে বিষয়ভিত্তিক ডাক্তার না থাকায় বিপদের সময় অর্থাৎ জরুরি মুহূর্তে রোগী নিয়ে ছুটতে হয় জেলা শহরে। ফ্রিস্টাইলে সিজারিয়ান অপারেশন করার পর সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের চিকিৎসার প্রয়োজনে শিশু ডাক্তার পাওয়া যায় না। তখন অভিভাবকদের নিজে দায়িত্বে ছুটতে হয় শিশু ডাক্তারের কাছে। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, অব্যবস্থায় ভরা এসব ক্লিনিকে যদি সরকারি ডাক্তারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আগে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারি বেতনের টাকায় যদি তাদের পেট না ভরে তাহলে তাদের চাকরি থেকে বিদায় দিতে হবে ফ্রিস্টাইলে টাকা আয় করার জন্য। মানবতার সেবার নামে এসব ডাক্তার নামের ডাকাতরা মানবতা বিরোধী অপরাধ করে যাচ্ছেন বিনা বাধায়। এ ভাবে ফ্রিস্টাইলে চলার জন্য এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দেশটা স্বাধীন হয়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

পিঠে ছুরিবিদ্ধ খোকন নিজেই গাড়ি ভাড়া করে আসেন যশোর হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক : পিঠে বিদ্ধ হওয়া ছুরি নিয়ে নিজেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন...

নায়কদের নামে কোরবানির গরু, আপত্তি জানালেন ওমর সানি

কল্যাণ ডেস্ক : আগামী ১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম সম্প্রদায় এই ঈদে পশু কোরবানির...

এশিয়ার বাইরের উইকেটের যে কারণে অসহায় মোস্তাফিজ

ক্রীড়া ডেস্ক : মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিং দেখে ক্যারিয়ারের শুরুতে অনেকে তাকে বলতেন, 'জোর বল করা...

নতুন ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত

কল্যাণ ডেস্ক : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের আওতায় আরও ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার...

নওয়াপাড়া বন্দরে অবৈধ তালিকায় ৬০ ঘাট

অবৈধভাবে গড়ে উঠা ঘাটের কারণে কমছে নদীর নাব্যতা ৫ বছরে অর্ধশত জাহাজ ডুবিতে ক্ষতিগ্রস্ত...

মণিরামপুরে জমজমাট কোরবানির পশু হাট

আব্দুল্লাহ সোহান, মণিরামপুর : দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম হাট মণিরামপুরের গরু-ছাগলের হাট। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার এখানে...