যশোর সদর ও কেশবপুর উপজেলার ২৬ টি ইউনিয়নে ভোট
ককটেল বিস্ফোরণ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া দুই পুলিশ সদস্য আহত, আটক দুই

ককটেল বিস্ফোরণ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া দুই পুলিশ সদস্য আহত আটক দুই

যশোর সদর উপজেলা ও কেশবপুর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নে পুলিশের ওপর হামলা। ভোট কেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেয়াসহ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যদিয়ে কেন্দ্র গুলোতে শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

যশোর সদর উপজেলায় ১৫টি ও কেশবপুর উপজেলায় ১১টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলছে।

আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে কাশিমপুর ইউনিয়নের ডাকাতিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক সহিংসতায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

আহত ফারুক হোসেন চৌধুরী ও জাহাঙ্গীর আলম তারা উভয়েই কনস্টেবল পদে যশোর সদর কোতোয়ালি থানায় কর্মরত রয়েছেন। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ  তাজুল ইসলাম কেন্দ্র পরিদর্শনে ডাকাতিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গেলে, কেন্দ্র মানুষের বিশৃংখলা দেখে তার বডিগার্ড পুলিশ কনস্টেবল ফারুক চৌধুরীকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেন। ঘটনার এক পর্যায়ে মেম্বার পদপ্রার্থী আপেল মার্কার ছেলে পিছন থেকে বাঁশ দিয়ে ফারুকের মাথায় সজোরে আঘাত করে।

এসময় কনস্টেবল জাহাঙ্গীর আলম ও ফারুক আঘাত পান। জাহাঙ্গীর আলম হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহত ফারুককে মারাত্মক আহত (মাথায় আঘাত লাগে) অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেলা ১টা পর্যন্ত দুই উপজেলার ৩১৯টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হচ্ছে

কেন্দ্রগুলোতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে যশোর সদরের ১১নং রামনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড নামেজ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রের বাইরে ২০০ গজ দুরে রাস্তার ওপরে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।

তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকা সন্দেহে দুজনকে আটক করেছে।। কেন্দ্রটিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষণীয় পর্য়ায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

ককটেল বিস্ফোরণ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া দুই পুলিশ সদস্য আহত আটক দুইবেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের পদ্মবিলা নামক স্থানে ভোট সংক্রান্ত ব্যাপারে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী তুহিন খানের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

তবে কোন হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন । তবে যশোর সদর ৯ নং আরবপুর ইউনিয়নের বালিয়া ভেকুটিয়া কেন্দ্রের অদুরে আবুল মোল্লার নেতৃত্বে ১৫/২০জনের যুবক বালিয়া ভেকুটিয়া বাজারের রাস্তায় দাড়িয়ে হাতে লাঠিসোটা নিয়ে সন্ত্রাসীরা ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসতে বাঁধা প্রদান করছে।

দুই উপজেলার ৩১৯ টি কেন্দ্রের বিপরীতে ৭ হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ ২ হাজার ৯শ’৫০ জন এবং ৪ হাজার আনসার দায়িত্বে রয়েছেন। তবে জেলার কেশবপুর উপজেলার ৬নং সদর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডে ভোট স্থগিত রয়েছে বলে জানা গেছে।

দুই উপজেলার ২৬ টি ইউনিয়নে এক হাজার পাঁচশ’ ৩০ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটার ছয় লাখ সাত হাজার ছয়শ’ ৯৬ জন।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুয়াশা ও তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে আসছেন।শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।

তবে কোন কোন কেন্দ্র মেম্বার প্রুার্থীরা অভিযোগ করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটার আসতে বাধা দেয়ায় তাদের জন্য সমস্যা হচ্ছে।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানাচ্ছেন, আমরা কেন্দ্র বা ভোটের মাঠের দায়িত্বে আছি।বাইরের বা এলাকার সমস্যা গুলো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর স্টাইকিং ফোর্সরা দেখবেন।

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে