Saturday, July 2, 2022

রসুনের গায়ে আগুন!

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা
ক্ষুব্ধ ক্রেতা, স্বস্তিতে নেই কিছু বিক্রেতাও

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: এবার ভোক্তার ক্ষোভের আগুনে ‘ঘি’ ঢালছে রসুন। সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের বাজারে মান-ভেদে রসুনের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা । মাসখানেক আগে হাক-ডাক ছেড়ে রসুনের কেজি বিক্রি হয়েছে ২০ টাকা দরে। একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে রীতিমত ক্ষোভের কথা জানিয়েছে ভোক্তারা। এনিয়ে কিছু বিক্রেতাও অস্বস্তিবোধ করছেন।

শুক্রবার রসুনের দাম বৃদ্ধির খবর চাউর হয়। সন্ধ্যায় বড়বাজারের হাটচান্নিতে সরেজমিনে গিয়ে সত্যতাও মেলে। হাটচান্নিতে পেঁয়াজ-রসুন, আলু ও শুকনো ঝাল বিক্রির পাইকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে অনন্ত ১০টি। হাবিব ভান্ডারের সত্ত্বাধিকারী হাবিবুর রহমান দৈনিক কল্যাণকে জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি রসুনের কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। এখন পর্যন্ত ৮০ টাকা দরে রসুন বিক্রি করছি। দাম আরও বাড়তে পারে।

তিনি বলেন, গত সপ্তাহে দেশি রসুনের কেজি ছিল ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা। চায়না থকে আমদানিকৃত রসুনের কেজি ছিল সর্বোচ্চ ৮০ টাকা। সেই রসুন এখন বিক্রি করতে হচ্ছে ১২৫ টাকা কেজি দরে।

আবদুল আজিজ নামে এক ক্রেতা জানান, বাজার দরের রকমফের বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। এক পণ্যের দাম কমছে তো আরও ৫ পণ্যের দাম বাড়ছে।

তিনি বলেন, এবার মাথা গরম করাচ্ছে রসুন। মাসখানেক আগেও খুচরা দোকানী হাক-ডাক ছেড়ে ৫ কেজি রসুন বিক্রি করেছেন ১০০ টাকায়। গত মাস থেকে রসুনের দাম কিছুটা বাড়তে থাকে। এখন বাজারে কেনাকাটা করতে এসে দেখি দেশি রসুনের কেজি চড়েছে ৮০ টাকায়। চায়না রসুনে রীতিমত হাত পুড়ছে। ৮০ টাকার রসুন কিনতে হচ্ছে ১২৫ টাকায়।

বরফকল সংলগ্ন কাচা বাজারেও দেখা গেছে উচ্চ দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন। ১০০ টাকার নিচে রসুন নেই। খুচরা বিক্রেতা আব্দুল জানান, পাইকারী কেনা পড়েছে প্রতিকেজি দেশি রসুন ৮০ টাকায়। চায়না রসুনের কেজি কিনতে হয়েছে ১১০ টাকা দরে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতেও খুচরা দরে পণ্য বিক্রি হয়। তারা পাইকারী আর খুচরা দর এক করে ফেলেছেন। যে কারণে ক্রেতার কাছে আমাদের নানা প্রশ্নের জবাব দিতে হচ্ছে।
রহমত উল্লাহ নামে এক ক্রেতা বলেন, রসুনের দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে। ৫ দিন আগেও যে রসুন কিনেছি ৫৫ টাকা কেজিতে, এখন সেই রসুন কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকায়।

সংবাদিককে পেয়ে ক্ষোভের আগুন ঝাড়েন এই ক্রেতা। তিনি বলেন, লিখে লাভ নেই। দাম বাড়া-কমা নির্ভর করে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের ইচ্ছের ওপর। প্রশাসনেরও ওপর ক্ষুব্ধ রহমত।

তিনি বলেন, বাজারে তদারকি নেই। যেকারণে সকাল-বিকেল দাম বাড়ছে নিত্যপণ্যের। এরফলে নিন্মবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের সংসার নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সচেতন মহলের দাবি-এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যে দেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ বলতে কিছুই থাকবে না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

কেন বিয়ে করেননি, জানালেন সুস্মিতা

বিনোদন ডেস্ক: কেন বিয়ে করেননি সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন; এমন প্রশ্ন...

করোনায় নতুন শনাক্ত ১৮৯৭, মৃত্যু ৫ জনের

কল্যাণ ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল...

বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ দমনে যে ভূমিকা দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়

কল্যাণ ডেস্ক: বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেছেন, বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ দমনে...

যশোরের কেশবপুরে নরসুন্দর যুবককে কুপিয়ে হত্যা

কেশবপুর প্রতিনিধি : জেলার কেশবপুর উপজেলায় নরসুন্দর এক যুবকের গলা ও পেট কেটে হত্যা করেছে...

হতদরিদ্রদের চালের দামও বাড়ল ৫ টাকা

ঢাকা অফিস: খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫০ লাখ হতদরিদ্র মানুষের কাছে বিক্রি করা চালের...

নির্দলীয় সরকার নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

ঢাকা অফিস: বৃহস্পতিবার সংসদে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা...