Sunday, May 29, 2022

রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে একমুখী শিক্ষানীতির গুরুত্ব

সালমান পারভেজ সবুজ: অফিস থেকে বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে রহমান সাহেব চায়ের কাপ টা হাতে নিয়ে টিভি অন করতেই তার বাচ্চাটা ছুটে এসে, বাবা বাবা এসো ফুটবল খেলি বলে টানা টানি শুরু করছে। এরই মধ্যে নিউজ হেড লাইনে চোখে পড়লো সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের ব্যানারে একমুখী শিক্ষার দাবিতে মানব বন্ধন এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান এর খবরটা। নিউজটা দেখেই যেন বিরক্ত হলেন রহমান সাহেব। কী হচ্ছে দেশে! কেনই বা হচ্ছে? সকাল থেকেই বিরূপ মানসিক অবস্থা সৃষ্টিকারী যে ক’টি ঘটনা সম্মূখীন হয়েছেন, তা কোন না কোন জায়গায়, শিক্ষার দ্বারে গিয়ে পদানত হয়েছে, যা তাকে মর্মাহত করে তুলেছে। জাতি হিসাবে আমরা কোথায় অবস্থান করছি,আমাদের গন্তব্যই বা কোন পথে? রহমান সাহেব কিছুই ভেবে পান না। শিক্ষাই আমাদের প্রতিটি কর্মের এবং কর্মফলের নির্ধারক। সেটা আমাদের জাতীয়,সামাজিক,পারিবারিক বা ব্যক্তি জীবনের যে পর্যায়েই হোক না কেন। আমাদের কর্মের ফলাফল কতটা প্রভাব বিস্তার করবে, প্রভাবটা কি হবে তা ব্যক্তির শিক্ষার ওপরে নির্ভর করছে। সামগ্রীক অর্থে বিষয়টি এভাবে বলা যায়, একটি জাতির কর্মের ফল তার জাতীয় জীবনে কিরূপ হবে তা নির্ভর করছে ওই জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা আর শিক্ষার উপরে। এই সহজ বিষয়টি নীতি নির্ধারকগণ বুঝতে পারেন না, নাকি বুঝতে চান না। সেটা তার বোধগম্য নয়। অফিসে সাহায্য বা চাঁদা নিতে আসা মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আজ যে আতিœক ও আর্থিক দৈন্যতা দেখিয়েছে,এ দিনতা কি রাষ্ট্রের নয়? ভবন মালিক, যার এক ছেলে অস্ট্রেলিয়াতে থাকেন, অন্য ছেলে ঢাকাতে বড় চাকুরী করেন। সকালে বিদ্যুৎ না থাকায় অফিসে পানি সরবরাহ বন্ধ রেখে, তিনি কি মানসিক দৈন্যতার পরিচয় দিলেন না? ভদ্র পাড়ায় বসবাস করা, ছেলেকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো দামী গাড়িতে চড়া মহিলার চাল-চলন,আচরণ, এমকি তার দৃষ্টি ভঙ্গিতেও যে হীন অহমিকা ঠিকরে পড়ে তা দেখে রহমান সাহেবের পিত্তি একেবারে জ্বলে যায়। সেটা কি মূল্যবোধের দৈন্যতা নয়? হ্যাঁ, তিনটি ঘটনাই দৈন্যতা স্বাক্ষর রেখেছে। আর এ দৈন্যতার পিছনের কারণ হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আর তার শিক্ষা।

আজ স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও আমরা জাতির জন্য একটি পূর্নাঙ্গ শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষানীতি দাঁড় করাতে পারিনি। অথচ এটাই ছিল আমাদের মুক্তির সর্বপ্রথম নিভৃত হাতিয়ার। যার মাধ্যমে অর্থনৈতিক,সামাজিক ও সংস্কৃতিক উত্তোরণের সোপান পেরিয়ে আজ অনবদ্য জাতি হিসাবে বিশে^র মাঝে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারতাম। যেখানে থাকতো না- খাদ্যে ভেজাল,চিকিৎসায় অবহেলা, নাগরিক বঞ্চনা,ঘুষ,দুর্নীতি,ব্যাংক লুট, ইত্যাদি ইত্যাদি। সর্বোপরি, নির্মল একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণে সদা-জাগ্রত মূল্যবোধের কোন বিকল্প নেই। এজন্য চাই একটি জাতীয় মূল্যবোধের সৃষ্টি। আর সেটা করতে প্রয়োজন সর্বজনীন জাতীয় শিক্ষানীতি এবং শিক্ষা ব্যবস্থা। আর প্রাথম স্তরে সেটা হতে পারে একমূখী শিক্ষা ব্যবস্থার বাস্তবায়ন। বর্তমানে বিদ্যমান ত্রি-স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে একমূখী জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ এখন সময়ের দাবি। কেননা একটি জাতীয় মননশীলতা নিশ্চিত করতে এর থেকে উত্তম কোন বিকল্প আর হতে পারে না। মননশীলতা থেকেই সদা মূল্যবোধ জাগ্রত হতে থাকে। জাতি যখন সশিক্ষার ওপর নির্ভরশীল হবে তখনই সে শিক্ষার আলোতে নিজেই নিজের পথ সৃষ্টি করে নিবে। আর এর জন্য প্রয়োজন সর্বজনীন জাতীয় একমূখী শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন। জেনারেল-মাদ্রাসা, জেনারেলে আবার বাংলা-ইংরেজি মিডিয়াম, দেশী-বিদেশী কারীকুলাম, মাদ্রাসায় আবার কওমি-আলিয়া, ইত্যাদি ইত্যাদি। মাশাহাল্লাহ। এ যেন মামার বাড়ী। যেমন ইচ্ছে তেমন, যার যা প্রয়োজন সে তেমন করছে। যেন কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা নেই। ফলাফল; জাতীয় আদার্শ, লক্ষ্য,চিন্তা-চেতনায়ও তেমন ভিন্নতা, জাতীয় ইস্যুতে সর্বত্রই জগাখিচুড়ির পরিলক্ষণ স্বাভাবিক তো বটেই। এটা একটি সহজ পরিমাপ, যা সকলেরই বোঝার কথা। তাহলে কেন পঞ্চাশ হাজার নাগরিকের স্বাক্ষর সম্বলিত স্বারকলিপি প্রধানমন্ত্রী বারবরে দিতে হবে? আামাদের সংবিধানেও তো সকলের জন্য একই পদ্ধতির গণমূখী ও সার্বজনীন শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে (১৭/ক)। তাহলে কেনই বা স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়েও আমরা একটি সার্বজনীন একমূখী জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে পারিনি। আমাদের ভয় কোথায়? ভয়টা হচ্ছে ক্ষমতা হারানোর। পাছে ধর্মীয় প্যাকেটে মোড়ানো একটি গোষ্টীর রাঙা চোখে ক্ষমতা হারানোর ভয়, এটাই তো? এটা শাসক গোষ্ঠীর একটি ফোবিয়া মাত্র। তারা কিছুই করতে পারবে না,করার ক্ষমতাও রাখে না। তবে তারামরণ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করবে। তার জন্য ব্যবস্থা নিতে, প্রয়োজনে সর্বস্ব দিয়ে তাদের সম্মূখেদাঁড়াতে হবে। আর তাদের বোঝাতে হবে যে, এটা তাদের কল্যাণের জন্যই, সে আস্থা সরকারকেই অর্জন করতে হবে। এর জন্য সকল স্তরে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট, সোসাল মিডিয়া সহ অন্যান্য মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে একটি জনমত দাঁড় করানোর ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। তা না হলে যে যার মতো করে চালিয়ে নিবে, এটা হতে পারে না। আর সে সুযোগ দেয়াটাওজাতির সঙ্গে এক প্রকার নিরব প্রতারনার শামিল নয় কি?

একবার চিন্তা করুন তো, দেশে প্রায় ১৪ হাজারের ওপরে কওমী মাদ্রাসা রয়েছে (সূত্রঃ বিবিসি,তাং-০৩.০৭.২০২১ ইং; বেসরকারী মাদ্রাসা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী) যেখানে ১৪ লাখের শিক্ষার্থী রয়েছে। বেসরকারী পরিসংখানে এ কওমী মাদ্রাসার সংখ্যা ২০ হাজারের উপরে । ২০০৯ সালে উইকিলিকসে ফাঁস হওয়া ঢাকা মার্কিন দূতাবাসের তথ্য মতে দেশে ২৩ থেকে ৫৭ হাজারের উপরে কওমী মাদ্রাসা রয়েছে। রাজধানী যাত্রা বাড়ী থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ৮ কি মি মহাসড়কের পাশ্বে ৬৮টি মাদ্রাসা রয়েছে। যার মধ্যে ৬৬টি ব্যক্তিমালিকানাধীন কওমী মাদ্রাসা এবং ২টি সরকার অনুমোদিত আলিয়া মাদ্রাসা (তথ্য সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন, তাং ১৬/১১/২০১৮) যদিও ঐ এলাকায় ৪৭টি স্কুল এবং কলেজও রয়েছে। অধ্যাপক আবুল বরাকাত এক গবেষণায় (বই ঃ পলিটিক্যাল ইকোনোমি অব মাদ্রাসা এডুকেশন)উল্লেখ করেছেন ২০০৮ পর্যন্ত বাংলাদেশে আলিয়া মাদ্রাসা গুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪৫.৮০ লাখ, একই সময়ে ৩৯ হাজার ৬১২ টি কওমী মাদ্রাসায় প্রায় ৫২.৪৮ লক্ষ শিক্ষার্থী ছিল। বর্তমান ২০২২ সালে এসে নিশ্চই সে সংখ্যা সামানুপাতিক হারে বেড়েছে। আশ্চার্যের বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যুরো অব এডুকেশনাল ইনফরমেশন এন্ড স্ট্যাটিস্টিকস(ব্যানবেইস)কওমী মাদ্রাসার সংখ্যা তথা এর শিক্ষার্থীর কোর পরিসংখ্যার রাখে না। বিষয়টি হাস্যকর বটে।

অধ্যাপক আবুল বরাকাতের তথ্য আমলে নিলে, প্রতি পরিবারে ৫ জন হিসাবে আলিয়া ও কওমি মাদ্রাসা আবৃত্তপ্রায় ৪.৯১ কোটি, বা মার্কিন দূতাবাসের তথ্য আমলে নিলে,প্রতি পরিবারে ৫ জন হিসাবে শুধুৃমাত্র কওমি মাদ্রাসা আবৃত্ত প্রায় ৪.০০ কোটি জনসংখ্যা প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। যা সেই সময়ের জনসংখ্যা অনুপাতে ২৮ থেকে ৩৫ শতাংশ, প্রায় মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ। সেই হিসাবে বলা যায়, এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যাকে প্রকৃত শিক্ষার আলোর বাহিরে রেখে তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় ভাবে বৈষম্য প্রদর্শন করা হচ্ছে যা আমাদের সংবিধানের পরিপন্থী (ধারাঃ ২৮/ক)।আর এদেরকে প্রকৃত বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষার বাহিরে রেখে, উন্নয়ন চিন্তা করাটা বোকামি নাকি বিলাসিতা এই প্রশ্ন থেকেই যায়। ১৯.৫১ বিলিয়ন টাকা খরচ করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন করা, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপন করার কাজ চলমান রয়েছে, ১১২২ বিলিয়ন টাকা খরচ করে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, কর্ণফুলী টানেলসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পের কথা নাহয় বাদই দিলাম। দেশের এক-তৃতীয়াংশজনগণকে প্রকৃত বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষার আলোর বাহিরে রেখে আনুভূমিক অর্থে তা কতটা ফল বয়ে আনবে সেটা নতুন করে ভেবে দেখার বিষয়।

বর্তমান সরকারের রূপকল্প -২০৪১ কে সামনে রেখে গৃহীত সমগ্র উন্নয়ন প্রকল্পকে যদি একসুতায় বাধা হয়। তাহলে সে সুতার গিট হবে একমুখী শিক্ষানীতির প্রনয়ণ এবং বাস্তবায়ন। এর জন্য যদি কোন বাধা আসে তা প্রতিহত করার জন্য সরকারের সম্ভাব্য সকল উপায় ব্যবহার করা উচিত। সরকারের উচিত হবে তাদেরকে নিজের নিয়ন্ত্রনে আনা,নাহলে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনীতিক, সংস্কৃতিক ও সাম্প্রদায়িক বৈসম্য সর্বত্র বিরাজমান হতে থাকবে আগামী দিনে এবং তা ভয়াবহ রূপ নিবে। সাথে জাতীয় লক্ষ্য এবং স্বার্থ দুটোই ভ্রষ্ট হবে। একটি কথা না বল্লেই নয়- কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (বেফাক) এর যুগ্ম মহাসচিব মাহফুজুল হক একবার প্রথম আলোকে বলেছিলেন “তারা শুধু কওমী শিক্ষার স্বীকৃতি চান। তারা সরকারের কোন অনুদান, নিয়ন্ত্রণ, ও হস্তক্ষেপ চান না” (সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলোম তাং-২২.০৫.২০১৫ ইং)। বিষয়টা হচ্ছে বাবা- তুমি শুধু সন্তান হিসবে স্বীকৃতি দাও। বাকিটা আমি দেখে নিবো, এমন নয় কি? এতেও যদি শাসকগণের টনক না নড়ে! একটি পুরানো কৌতুক মনে পড়ে গেল;
দুই মাতাল মদ খেয়ে হম্বিতম্বি করছে।
-বলতো দেখি, ওটা কি সূর্য নাকি চাঁদ।
-ওরে উজবুক, এমন জ¦লজ¦লে সূর্যটাকেও দেখে চিনতে পারছিস না, তাই না।
-উজবুক আমি না তুই, শালা বুনো বলদ, এতো সোনলী চাঁদটাকে বলছিস সূর্য।
-কী বাজী ধরবি? দাঁড়া এখুনি জানার ব্যবস্থা করছি।
পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এক মহিলা, এক মাতাল তাকে জিজ্ঞেস করলো,-এই যে ভাই, একটু বলবেন কি (আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে), ওই যে ওটা কি সূর্য না চাঁদ ।
মহিলা উদাসভাবে বললেন,-আসলে আমি সঠিক জানি না। আমি এই এলাকায় থাকি না।

দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগণকে প্রকৃত শিক্ষার বাহিরে রাখার অর্থ তাদেরকে অন্ধকারে রাখা। আর এ অন্ধকার খেকে নিসৃত হচ্ছে ভয়। যে ভয়কে কাজে লাগিয়ে সুবধিা ভোগী শ্রেণি এক ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে। সৃষ্টির সবাই সুবিধা ভোগী শ্রেণির অর্šÍভূক্ত। তবে এ সুবিধা ভোগী শ্রেণির ধরণটা আলাদা,তারা একটি জাতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে খেলছে। আর একমাত্র শিক্ষার ব্যবস্থাই এই অন্ধকার দূর করতে পারে । এই সুবিধা ভোগীরা চায় না তাদের হাতিয়ার সরকার ভেঙে দিক। এর জন্য তারা বিভিন্ন তত্ব, তথ্য, এমনকি রক্ত নিয়ে খেলতেও রাজি থাকবে। তবে এই এক-তৃতীয়াংশ জনগণকে সামাজিকভাবে কাছে টানতে হবে। অর্থনৈতিক অন্তভুক্তির আওতায় এনে সামনে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। সরকারকে বিশ্বস্ততার সঙ্গে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন জনগণকে বুকে টেনে নিতে হবে।পাশাপশি সরকারকে দৃঢ়তার সাথে তাহলে প্রচলিত আইনের যাথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।এ সুবিধা ভোগী শ্রেণী বাধা হয়ে দাড়ালে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে হবে। কেননা একটি জাতিকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামোর উন্নয়ন ঘটাতে পারলেই দেশটি নিজস্ব গতিতেই এগিয়ে যাবে। সর্বপরি রূপকল্প-২০৪১ এর অভিষ্ঠ লক্ষ্য পূরণে সার্বজনীন একমূখীজাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের কোন বিকল্প নেই এবং তা এক্ষুনি করতে হবে।শুধুমাত্র দু’জন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছাই এর জন্য যথেষ্ঠ। রূপকল্প-২০৪১ কে যদি একটি ট্রেনের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে একমূখী শিক্ষা ব্যবস্থাই হবে সেই ট্রেনের ইঞ্জিন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

ছাত্রনেতা শাহীর মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন যশোর...

খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস আজ ফের চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ রোববার থেকে ফের কলকাতা-খুলনা রুটে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ রেল চলাচল শুরু হবে।...

রসুনের গায়ে আগুন!

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা ক্ষুব্ধ ক্রেতা, স্বস্তিতে নেই কিছু বিক্রেতাও জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: এবার ভোক্তার...

আনারসের পাতা থেকে সুতা সৃজনশীল কাজে পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন

অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। কিন্তু হলে কি হবে। সম্ভবনা থাকলেই তো আর আপনা আপনি...

দড়াটানার ভৈরব পাড়ে মাদকসেবীদের নিরাপদ আঁখড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর শহরের ঘোপ জেলরোড কুইন্স হাসপাতালের পূর্ব পাশে ভৈরব নদের পাড়ে মাদকসেবীদের...

আজকের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে ব্যবস্থা

কল্যাণ ডেস্ক: দেশে অনিবন্ধিত ও নবায়নহীন অবস্থায় পরিচালিত অবৈধ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার...