শৈত্যপ্রবাহ : যশোরে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

শৈত্যপ্রবাহ : যশোরে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
তীব্র কুয়াশার মধ্যে কাজের সন্ধানে বের হয়েছেন একদল শ্রমিক। ছবি: কল্যাণ

কল্যাণ ডেস্ক : পৌষের শুরুতে দেশের দশ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ; হিমেল হাওয়ার দাপট বাড়ার পাশাপাশি কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকছে উত্তর জনপদের অনেক এলাকা।
আজ সোমবার (২০ ডিসেম্বর) চুয়াডাঙ্গায় থার্মোমিটারের পারদ নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, এটাই সারা দেশে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এছাড়া যশোরে ৭ দশমিক ৪ এবং তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঈশ্বরদী, রাজশাহী, বদলগাছী, রাজার হাট ও বরিশালেও তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারী মাত্রার শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এখন।

বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।

আবহাওয়াবিদ মুহম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, চলমান এই শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং আরও বিস্তার পেতে পারে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ বলেন, “চলতি সপ্তাহ জুড়ে শীতের প্রকোপ থাকবে। সপ্তাহ শেষে ফের তাপমাত্রা বেড়ে কিছুটা স্থিতিশীল আবহাওয়া মিলবে। ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারির শুরুতে আরেক দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে।”

এ বছর নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে হিম হিম ভাব বাড়ছিল। তবে ডিসেম্বরে সাগরে ঘূর্ণিঝড় আর বৃষ্টিতে সামান্য বিলম্বিত হয়েছে শীত। এমনিতে বাংলাদেশে জানুয়ারি মাসেই শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে