১ম দিন পার : যশোরে বিধিনিষেধ কার্যকর হয়নি

যশোরে বিধিনিষেধ কার্যকর হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। ইতিমধ্যে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনও ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে নতুন এই ধরনটির সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তবে উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের ভেতরও সর্তক নন বেশির ভাগ মানুষ। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছেনা করছেন না অনেকে। নির্দেশনা উপেক্ষা করে যত্রতত্র মাস্কবিহীন চলাফেরা করছেন। অথচ সরকারের জারি করা নির্দেশনায় ঘরের বাইরে বের হলে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে ১১টি বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। গতকাল ১৩ জানুয়ারি থেকে এগুলো কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও মানছেন না কেউ। গত ১০ জানুয়ারি ১১ দফা বিধি-নিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু বিধিনিষেধ শুরুর দিনে যশোরের চিত্র ছিল পুরোপুরি ভিন্ন। কোথাওয় বিধিনিষেধ মানা হয়নি। চায়ের দোকান, রেস্তোরাঁ, বাজার, শপিংমল, গণপরিবহন কোথাও মানতে দেখা যাননি ১১ দফা। মাস্কবিহীনভাবে সেখানে প্রচুর মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। অনেকে মাস্ক ব্যবহার করলেও থুতনিতে ঝুলিয়ে রাখেন। বিধি নিষেধের প্রথম দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে খুব একটা কঠোর অবস্থান ছিলো না। তবে সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসান ও মেহরাজ শারবীনের নেতৃত্বে শহরের দড়াটানা, বড় বাজার, মাছ বাজার সহ বিভিন্ন শমিংমল ও হোটলে সতর্ক বার্তা ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, করোনার ৩য় ধাপে আমাদের অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ইতোমিধ্যে যশোরকে ইয়ালো জোন ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতে সতর্কতা অবলম্বন না করলে ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে। তাই ১১ দফার প্রথম দিনে আমরা সাধরণ মানুষকে সতর্ক করেছি। তবে আগামীকাল থেকে শুরু হবে কঠোর অবস্থান। মাস্ক না পড়লে বা বিধি নিষেধ ভঙ্গ করলে জরিমানাসহ আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে