১২ ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠান পেলো ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড

১২ ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠান পেলো ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড

কল্যাণ ডেস্ক
১২ জন গুণী ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানকে উইমেন্স ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডব্লিউআইসিসিআই) অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। সাহিত্য, কলা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সমাজসেবা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ডব্লিউআইসিসিআইয়ের বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিলের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। ৩০ নভেম্বর রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সংসদ সদস্য ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এফবিসিসিআইর সভাপতি ও বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ব্যবসায় নারীর প্রধান প্রতিবন্ধকতা বিনিয়োগ। কিন্তু নারীরা চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। নারীরা নিজেদের ক্ষুদ্র সঞ্চয়, পারিবারিক ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেন। প্রধানমন্ত্রী নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা এগিয়ে এসেছেন, সহজে ঋণ পেতে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। নারীরা এগিয়ে যাচ্ছেন।

ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত ১২ ব্যক্তি হলেন- সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, নিলুফার মনজুর, ফেরদৌসি কাদের, তামারা হোসেনে আবেদ, হুমায়রা আজাদ, জয়া আহসান, সাবানজি, ফাদিয়া খান, সেজুতি সাহা, সারাহ কামাল, নাসিমা আক্তার নিশু, মায়মুনা আহমেদ। ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত ৩টি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে, রেড-এক্স, সাজেদা ফাউন্ডেশন, এসএমই ফাউন্ডেশন।

আয়োজকরা জানান, ২৩ জন সদস্য এবং ৪ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিত ডব্লিউআইসিসিআই বাংলাদেশের বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিল। ডব্লিউআইসিসিআই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার বিয়য়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। কাউন্সিলের সভাপতি মানতাশা আহমেদ। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে এবং বাংলাদেশ ও ভারতের প্রান্তিক নারীদের অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিল গতবছর আগস্ট মাসে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে